শিরোনাম :
যত লাখ কোটি টাকা খরচ করে বিশ্বকাপ আয়োজন কাতারের, জানলে আপনার চোখ যাবে কপালে উঠে হুট করে উড়ে এলো মুস্তাফিজকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য ক্রিকেট পাড়ায় শোকের ছায়াঃ মারা গেলেন ৩৬ বছর বয়সের পাক তারকা ক্রিকেটার টাইগার ভক্তদের জন্য বিশাল সুখবর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ১৬ দলের স্কোয়াডে যারা, দেখে নিন এক নজরে দারুন সুখবরঃ আমিরাতে সুযোগ না পাওয়া সৌম্য এবার ত্রিদেশীয় সিরিজে, সাথে শরিফুলও অবিশ্বাস্যকরঃ টি-২০ বিশ্বকাপের জন্য আকাশ ছোয়া প্রাইজমানি ঘোষণা, কোনো ম্যাচ না জিতলেও বাংলাদেশ পাবে যত লাখ এইমাত্র পাওয়াঃ বিশ্বের সবচেয়ে ভয়ংকর স্লোয়ার ফাস্ট বোলার এক টাইগার পেসার অবাক গোটা ক্রিকেট বিশ্ব, অবিশ্বাস্য কারণে কেটে নেওয়া হলো ১০ পয়েন্ট ব্রেকিং নিউজঃ অবশেষে আইসিসির দেখানো নিয়ম মেনে নিল বিসিবি, টি-২০ স্কোয়াডে আসছে পরিবর্তন
শনিবার, ০১ অক্টোবর ২০২২, ০৭:৩৪ পূর্বাহ্ন

কই মাছ বৃষ্টি বা ব’জ্রপাতের সময়  কেন মাটিতে উঠে আসে

প্রতিনিধির নাম / ৩২ বার
আপডেট : রবিবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২২
কই মাছ বৃষ্টি বা ব'জ্রপাতের সময়  কেন মাটিতে উঠে আসে

কই মাছ বৃষ্টি বা ব’জ্রপাতের সময়  কেন মাটিতে উঠে আসে

আমাদের দেশেও বর্ষাকালে একটা ব্যাপার লক্ষ্য করা যায়। আষাঢ়-শ্রাবণে দিকে যখন প্রচন্ড বৃষ্টি হয়, আশেপাশের পুকুর, খাল-বিল থেকে কই মাছ মাটিতে উঠে আসে।

জীবন্ত কই মাছ মাটির ওপর লাফালাফি করে। এই ঘ’টনাকে গ্রামের মানুষ বলে ‘মাছ উজানো’উজান হলো স্রোতের বিপরীত দিকে যাওয়া। কেন এমন হয়? নিশ্চয়ই প্রশ্নটা আপনার মনেও এসেছে। ইন্টারনেট কিংবা খুব বেশি বইতে এই বিষয়ে তেমন কোনো তথ্য নেই। এই বিষয়ে জানতে হলে প্রথমে ট্যাক্সিস স’ম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে।

ট্যাক্সিস একটা টার্ম; যার অর্থ প্রা’ণীর দিকমুখিতা। সহজভাবে বললে, বিভিন্ন পরিবেশে (যেমন- তাপ, চা’প, আলো, শব্দ) প্রা’ণীর ছুটে চলা। যখন বিভিন্ন পরিবেশের দিকে প্রা’ণী ছুটে চলে, তখন তাকে পজেটিভ ট্যাক্সিস বলা হয়। কই মাছের ট্যাক্সিস হলো পজিটিভ ট্যাক্সিস।

কোনো প্রা’ণী স্রোতের দিকে চললে তাকে রিওট্যা’ক্সিস বলে। যা এক প্রকার পজিটিভ ট্যাক্সিস। বৃষ্টি হলে পুকুর বা নদীতে পানি বেড়ে যায়। তখন স্রোতের দিকে কই মাছ চলতে শুরু করে; বিষয়টিকে অনেকেই নতুন পানিতে যাওয়া বলে থাকেন। আর কই মাছের পাখনা বেশ শক্ত. তাই তারা মাটির উপরেও নড়াচড়া ক’রতে পারে।

আরেকটি কারণও আছে অবশ্য। দীর্ঘদিন বৃষ্টি না হলে পুকুর বা জলা’শয়ের পানিতে অক্সিজেন এবং খাবারের ঘাটতি তৈরি হয়। কই মাছ বৃষ্টির পানি পাওয়ায় সে অক্সিজেন ও খাবারের জন্য স্রোতের স’ঙ্গে রিওট্যাক্সিসে সাড়া দেয়। শুধু কই-ই নয়; শিং, মাগুর, গুতুম মাছও বৃষ্টির সময় স্রোতের দিকে এবং পুকুর পাড়ে উঠে আসে।

অনেক দেশেই মাছ বৃষ্টি হয়। বিশেষ করে হন্ডুরাসে। গত বছর মাছ বৃষ্টির অভিজ্ঞতা লাভ করেছে শ্রীলঙ্কাও। উপরের ব্যাখ্যাটা খুব সুন্দরভাবে মিলে যেতে পারত হান্ডুরাস বা শ্রীলঙ্কার স’ঙ্গে।

কিন্তু কেউ কেউ মাছগুলোকে দেখে শনা’ক্ত করে যে, এগুলো তাদের এলাকার মাছ নয়। তাই এটারও আলা’দা ব্যা’খ্যা রয়েছে, যা নিয়ে অন্য একদিন আলোচনা করা হবে।

এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ন বেআইনী এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ। তাসরিফ/প্রতিদিনের পোস্ট

 


এ জাতীয় আরো সংবাদ

Warning: Undefined variable $themeswala in /home/khandakarit/pratidinerpost.com/wp-content/themes/newsdemoten/single.php on line 229

Warning: Trying to access array offset on value of type null in /home/khandakarit/pratidinerpost.com/wp-content/themes/newsdemoten/single.php on line 229