শিরোনাম :
যত লাখ কোটি টাকা খরচ করে বিশ্বকাপ আয়োজন কাতারের, জানলে আপনার চোখ যাবে কপালে উঠে হুট করে উড়ে এলো মুস্তাফিজকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য ক্রিকেট পাড়ায় শোকের ছায়াঃ মারা গেলেন ৩৬ বছর বয়সের পাক তারকা ক্রিকেটার টাইগার ভক্তদের জন্য বিশাল সুখবর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ১৬ দলের স্কোয়াডে যারা, দেখে নিন এক নজরে দারুন সুখবরঃ আমিরাতে সুযোগ না পাওয়া সৌম্য এবার ত্রিদেশীয় সিরিজে, সাথে শরিফুলও অবিশ্বাস্যকরঃ টি-২০ বিশ্বকাপের জন্য আকাশ ছোয়া প্রাইজমানি ঘোষণা, কোনো ম্যাচ না জিতলেও বাংলাদেশ পাবে যত লাখ এইমাত্র পাওয়াঃ বিশ্বের সবচেয়ে ভয়ংকর স্লোয়ার ফাস্ট বোলার এক টাইগার পেসার অবাক গোটা ক্রিকেট বিশ্ব, অবিশ্বাস্য কারণে কেটে নেওয়া হলো ১০ পয়েন্ট ব্রেকিং নিউজঃ অবশেষে আইসিসির দেখানো নিয়ম মেনে নিল বিসিবি, টি-২০ স্কোয়াডে আসছে পরিবর্তন
শনিবার, ০১ অক্টোবর ২০২২, ০৭:৪৪ পূর্বাহ্ন

“কেঁচোসার উৎপাদনে আবুল কালামের বাজিমাত”

রিপু / ২৭ বার
আপডেট : শনিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২২

নিজস্ব প্রতিবেদক, প্রতিদিনের পোস্ট ||

<খাগড়াছড়ির রামগড়ে ভার্মিকম্পোস্ট বা কেঁচোসার উৎপাদনে ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন কাজী মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ। নিজের প্রয়োজনে শুরু করলেও এখন বাণিজ্যিক রূপ নিচ্ছে এটি। তাকে দেখে উৎসাহী হয়ে উঠছে এলাকার আরও অনেক চাষি।>

<জানা যায়, ২০১৮ সালে কয়েকজন কৃষি উদ্যোক্তা স্বল্প ট্রেনিং নিয়ে কেঁচোসার উৎপাদন শুরু করেন। কিন্তু অক্লান্ত পরিশ্রম আর নিবিড় পরিচর্চায় সেই ব্যাচের কৃষি উদ্যোক্তার মধ্যে মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদই হয়ে উঠেছেন সফল উদ্যোক্তা।>

<রামগড় পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ড কালাডেবা এলাকার বাসিন্দা কাজী মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেনের বড় ছেলে কাজী মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ। রামগড় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের সার্বিক সহযোগিতায় ২০১৮ সালে মাত্র ২টি রিং স্ল্য্যাব দিয়ে শুরু করেন এ সারের উৎপাদন। ধীরে ধীরে সার উৎপাদনের পরিধি বাড়িয়েছেন তিনি। পরে বাড়ির উঠানে বিশাল টিনের শেড ও আরেক পাশে ছাপরার নিচে ২৭০টি (চৌবাচ্চা) রিং বসান। মাত্র ২টি রিং দিয়ে শুরু করা নিজ প্রচেষ্টায় এ প্রকল্প বর্তমানে ২৭০টি রিং-এ দাঁড়িয়েছে।>

<প্রতিটি রিং-এ গোবর, শাকসবজির উচ্ছিষ্টাংশ ও কলাগাছের টুকরো মিশ্রণ করে হাউসে কেঁচো ছেড়ে দেওয়া হয়। তারপর চটের বস্তা দিয়ে হাউস ঢেকে রাখা হয়। এভাবে এক মাস ঢেকে রাখার পর তৈরি হয় কেঁচোসার। কাজী আবুল কালাম আজাদের হাউস থেকে প্রতি মাসে আনুমানিক ৩ টন সার উৎপাদন হয়ে থাকে। তিনি জানান, আমি বাণিজ্যিকভাবে বিক্রি করি না, তবে যে হারে চাহিদা বেড়েছে এতে বাণিজ্যিকভাবে শুরু করতে চাচ্ছি। যারা বাণিজ্যিকভাবে বিক্রি করছেন, তারা প্রতি কেজি সার খুচরা ১৫ ও পাইকারি ১২টা করে বিক্রি করছেন।>

<এদিকে কাজী আবুল কালাম আজাদের উৎপাদিত কেঁচোসার স্থানীয় কৃষকদের কাছে ক্রমেই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। তার এ উদ্যোগ দেখে জেলার বিভিন্ন উপজেলাতে চাষিরা নিজ বাড়িতে কেঁচোসার উৎপাদন করে তা দিয়ে জমিতে চাষাবাদ করছেন। কেঁচোসার জমির উর্বরতা বাড়ায়, ফলনও বেশি হয়। রাসায়নিক সারের দাম ও ক্ষতিকারক বেশি। এ জন্য এখন কেঁচোসার জমিতে ব্যবহার করছে স্থানীয় কৃষকরা। অল্প খরচে অধিক লাভবান হচ্ছেন স্থানীয় কৃষকরা।>

<কৃষি উদ্যোক্তা কাজী আবুল কালাম আজাদ বলেন, আমি বাণিজ্যিকভাবে সার বিক্রি শুরু করিনি, পরীক্ষামূলক এ সার উৎপাদন করছি, যে সার উৎপাদন হচ্ছে তা আমার নিজের জমিতে ব্যবহার করছি। কৃষকদের কাছে বর্তমানে কেঁচোসার জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। বর্তমানে সারের চাহিদা থাকায় উৎপাদনও বাড়াচ্ছি। একসময় কেঁচোসার বাণিজ্যিকভাবে ব্যাপক সাড়া ফেলবে। তবে এ জন্য সরকারি সহযোগিতা প্রয়োজন বলে তিনি দাবি করেন।>

<রামগড় উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোহাম্মদ রাশেদ চৌধুরী বলেন, কেঁচোসার উৎপাদনে কৃষকদের সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। রামগড়ে কয়েকজন উদ্যোক্তার মাঝে আবুল কালাম আজাদ একজন সফল উদ্যোক্তা। তাকে দেখে অনেক কৃষক নিজের জমির জন্য কেঁচোসার উৎপাদন করছে। কৃষি অধিদফতরের পক্ষ থেকে যতটা সম্ভব এ ধরনের কৃষি উদ্যোক্তাদের সহযোগিতা করার চেষ্টা করছি।>

এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ   রিপু /প্রতিদিনের পোস্ট


এ জাতীয় আরো সংবাদ

Warning: Undefined variable $themeswala in /home/khandakarit/pratidinerpost.com/wp-content/themes/newsdemoten/single.php on line 229

Warning: Trying to access array offset on value of type null in /home/khandakarit/pratidinerpost.com/wp-content/themes/newsdemoten/single.php on line 229