শিরোনাম :
সোমবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০১:২৮ অপরাহ্ন

“‘টুনটুনি’ হতে পারে বিশ্বের সবচেয়ে ছোট গরু”

রিপু / ১৯ বার
আপডেট : বুধবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২২

নিজস্ব প্রতিবেদক, প্রতিদিনের পোস্ট ||

গরুর নাম ‘ঝন্টু’। ভালোবেসে কেউ কেউ ‘টুনটুনি’ও ডাকে। এই ঝন্টুর উচ্চতা মাত্র ১৭ ইঞ্চি, দৈর্ঘ্য ৩১ ইঞ্চি এবং ওজন ২০-২৫ কেজির মতো। আকৃতি এ রকম থাকলেই এটি বিশ্বের সবচেয়ে খর্বাকৃতির গরু হতে পারে বলে ধারণা করছেন অনেকে। যশোরের মণিরামপুরের খানপুর ইউনিয়নের তেঁতুলিয়া গ্রামের সরোয়ারের বাড়িতে গরুটির দেখা মেলে।

এদিকে খর্বাকৃতির এই গরু দেখতে সরোয়ারের বাড়িতে দূর-দূরান্ত থেকে লোকজন আসছেন। অনেকে আবার গরুটি কিনতেও চাইছেন। মালিক দাম হাঁকছেন পাঁচ লাখ টাকা। এরই মধ্যে দেড় লাখ টাকা দামও উঠেছে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত রোজার ঈদের পরদিন সরোয়ারের বাড়িতে এই এঁড়ে বাছুরটির জন্ম হয়। জন্মের সময় বাছুরটি আরও অনেক ছোট ছিল। এর পর পাঁচ মাস পেরিয়ে গেলেও গরুটি খুব একটা বেড়ে ওঠেনি।
এদিকে এই এঁড়ে বাছুরটি বিশ্বের সবচেয়ে খর্বাকৃতির হতে পারে বলে দাবি করা হচ্ছে। ২০১৫ সালে গিনেস রেকর্ডে স্থান পাওয়া ভারতের কেরালার ‘মানিক্যান’ গরুর উচ্চতা ছিল ২৪ ইঞ্চি এবং ওজন ছিল ৪০ কেজি। পরে আমাদের দেশের আশুলিয়ার একটি ফার্মে রানি নামে গরুটি গিনেস রেকর্ডে স্থান পায়। সেটির উচ্চতা ছিল ২০ ইঞ্চি এবং ওজন ছিল ২৬ কেজি। যে কারণে ঝন্টু নামের এই গরুটি গিনেস রেকর্ডে স্থান পেতে পারে বলে অনেকেই ধারণা করছেন। তবে গিনেসে নাম ওঠার জন্য গরুটি পূর্ণবয়স্ক হওয়া প্রয়োজন বলে জানা গেছে।

গরুটির মালিক সরোয়ার হোসেন জানান, তার বাড়িতে তিনটি গাভি রয়েছে। স্থানীয় এক পশু চিকিৎসকের কাছ থেকে তিনটি গাভিকে সিমেন দিয়েছিলেন। এর মধ্যে দুটি গাভি স্বাভাবিক বাচ্চার জন্ম দিলেও একটি গাভি খর্বাকৃতির এঁড়ে বাছুর জন্ম দেয়। তিনি আরও জানান, দুই দিন আগে পাবনা থেকে কয়েকজন লোক তার বাড়িতে আসেন। তারা বাছুরটি কিনতে চান। তাদের কাছে সরোয়ার বাছুরটির দাম চান পাঁচ লাখ টাকা। কিন্তু তারা দেড় লাখ টাকা দিতে চাইলেও তিনি বিক্রি করেননি।

গাভির সিমেন বিক্রয়কারী সাইফুল কবীর জানান, ‘তিনি আমেরিকান ডেইরি লিমিটেড কোম্পানির কাছে সিমেন বিক্রি করেন। সরোয়ারের তিন গাভির জন্য একই সিমেন দেওয়া হলেও একটি খর্বাকৃতির এঁড়ে বাছুর জন্ম নেয়।’ জানতে চাইলে উপজেলা প্রাণিসম্পদ সম্প্রসারণ কর্মকর্তা সোহাগ হোসেন বলেন, ‘জেনেটিক্যাল কারণে এটি হতে পারে। তবে বাছুরটি দেখে বাকিটা বলতে পারবেন।’ উপসহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (চিকিৎসা) আব্দুল মজিদ বলেন, ‘এ ধরনের পশুগুলো প্রতিবন্ধী হয়। এরা বেশি দিন বাঁচতে পারে না।’

এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ   রিপু /প্রতিদিনের পোস্ট


এ জাতীয় আরো সংবাদ

Warning: Undefined variable $themeswala in /home/khandakarit/pratidinerpost.com/wp-content/themes/newsdemoten/single.php on line 229

Warning: Trying to access array offset on value of type null in /home/khandakarit/pratidinerpost.com/wp-content/themes/newsdemoten/single.php on line 229