শিরোনাম :
অনেক কল্পনা জল্পনার পর টি-টোয়েন্টিতে ক্যারিয়ার সেরা ইনিংস খেললেন মিরাজ শেষ হল সেই টি-টেন লীগের চূড়ান্ত নিলাম আকাশ ছোয়া মূল্যে দল পেলেন বাংলাদেশের পাঁচ ক্রিকেটার অগ্নিঝরা তাণ্ডব দেখিয়ে নিজেদের প্রমান করার পরীক্ষার সিরিজে প্রত্যাশিত জয় টাইগারদের, দেখুন ম্যাচ বিস্তারিত বোলিং ঝড়ের তাণ্ডবে ১৫ ওভার শেষে দেখে নিন সর্বশেষ স্কোর এই দলের সঙ্গেই এমন অবস্থা টাইগারদের! ফের শেষ বলে ছক্কা সোহানের, দুর্দান্ত লড়াকু ভাবে খেলে আরব আমিরাতের সামনে পাহাড় সমান রানের লক্ষ্য দিল টাইগাররা অবাক কাণ্ডঃ এই কেমন আউট দিলেন আম্পায়ার উড়তে থাকা মিরাজকে, দেখুন সর্বশেষ স্কোর আজ নিজেকে অনেক সুখী মনে হচ্ছে: আসিফ আবারও শুরুতেই হার বাংলাদেশের, দেখেনিন ফলাফল এইমাত্র শেষ হল বাংলাদেশ-আরব আমিরাত ম্যাচের টস, জেনে নিন ফলাফল
বুধবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৫:৪৭ পূর্বাহ্ন

ডেঙ্গু জ্বরে প্লাটিলেটের ওঠা–নামা স্বাভাবিক

নিজস্ব প্রতিবেদক, প্রতিদিনের পোস্ট / ৪৫ বার
আপডেট : বুধবার, ২৪ আগস্ট, ২০২২

নিজস্ব প্রতিবেদক, প্রতিদিনের পোস্ট || ডেঙ্গু জ্বরে প্লাটিলেটের ওঠা–নামা স্বাভাবিক।

লক্ষণ

ক্ল্যাসিক্যাল ডেঙ্গু জ্বরে সাধারণত তীব্র জ্বর (১০৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট পর্যন্ত), সঙ্গে সারা শরীরে প্রচণ্ড ব্যথা হয়। শরীরে বিশেষ করে হাড়, কোমর, পিঠসহ অস্থিসন্ধি ও মাংসপেশিতে তীব্র ব্যথা হয়। এ ছাড়া মাথাব্যথা ও চোখের পেছনে ব্যথা হয়। অনেক সময় ব্যথা এত তীব্র হয় যে মনে হয় হাড় বুঝি ভেঙে যাচ্ছে। তাই এ জ্বরের আরেক নাম ‘ব্রেক বোন ফিভার’।

জ্বর হওয়ার চার বা পাঁচ দিনের মাথায় সারা শরীরে লালচে দানা (স্কিন র‌্যাশ) দেখা যায়। এর সঙ্গে বমি বমি ভাব, বমিও হতে পারে। রোগী অতিরিক্ত ক্লান্তিবোধ করে এবং রুচি কমে যায়।

সাধারণত চার–পাঁচ দিন থাকার পর জ্বর এমনিতেই চলে যায়। কোনো কোনো রোগীর ক্ষেত্রে এর দু–তিন দিন পর আবার জ্বর আসে। তাই একে ‘বাই ফেজিক ফিভার’ বলে।

চিকিৎসা

  • ডেঙ্গু রোগের নির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই; লক্ষণ অনুযায়ী চিকিৎসা দেওয়া হয়।
  • জ্বর কমানোর জন্য প্যারাসিটামল–জাতীয় ওষুধ খাওয়া যেতে পারে।
  • ব্যথা কমানোর জন্য কখনোই ব্যথানাশক ওষুধ যেমন ডাইক্লোফেনাক, ন্যাপ্রোক্সেন, আইবু প্রোফেন, কিটোরোলাক খাওয়া যাবে না।
  • বিশ্রাম নিতে হবে এবং পর্যাপ্ত তরল খাবার (খাওয়ার স্যালাইন, ডাবের পানি, গ্লুকোজের শরবত) খেতে হবে।
  • বিপজ্জনক লক্ষণ দেখা দিলে (পেটব্যথা ও বমি করা, গায়ে লাল-কালো দাগ, দাঁতের মাড়ি থেকে রক্তক্ষরণ, প্রসাব–পায়খানার সঙ্গে রক্তক্ষরণ, প্রস্রাব স্বাভাবিক কমে যাওয়া, কিছুই খেতে না পারা) হাসপাতালে ভর্তি করাতে হবে।

কখন প্লাটিলেট ট্রান্সফিউশন

প্লাটিলেট কমে যাওয়া নিয়ে অহেতুক আতঙ্কিত হওয়া যাবে না। প্লাটিলেট কমে যাওয়াই স্বাভাবিক। এটি নিজেই আবার বাড়তে শুরু করে। যদি রক্তক্ষরণ হয় কিংবা প্লাটিলেট কাউন্ট ১০,০০০–এর নিচে নেমে যায়, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শমতো প্লাটিলেট দিতে হতে পারে।

ডা. মো. আরিফ উর রহমান, রক্তরোগ বিশেষজ্ঞ, বোনম্যারো ট্রান্সপ্ল্যান্ট ইউনিট, হেমাটোলজি বিভাগ, ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল


এ জাতীয় আরো সংবাদ

Warning: Undefined variable $themeswala in /home/khandakarit/pratidinerpost.com/wp-content/themes/newsdemoten/single.php on line 229

Warning: Trying to access array offset on value of type null in /home/khandakarit/pratidinerpost.com/wp-content/themes/newsdemoten/single.php on line 229