শিরোনাম :
শনিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৫:২৬ অপরাহ্ন

নওগাঁর কৃষকরা আগাম শিম চাষে ঝুঁকছেন

নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি, প্রতিদিনের পোস্ট / ১৬ বার
আপডেট : মঙ্গলবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২২
``বেশি_ফলন_পাওয়ার_জন্য_শিম_গাছের_যত্ন_নেবেন_যেভাবে''

নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি, প্রতিদিনের পোস্ট ।। নওগাঁর কৃষকরা আগাম শিম চাষে ঝুঁকছেন ।

নওগাঁর কৃষকরা আগাম শিম চাষে ঝুঁকছেন। জেলার মাটি দোআঁশ ও বেলে দোঁআশ হওয়ায় ফলনও বেশ ভালো হয়। পাশাপাশি আগাম জাতের হওয়ায় দাম তুলনামূলকভাবে ভালো পাওয়া যায়। ফলন কম হলেও দাম বেশি পাওয়ার কারণে কৃষক আগাম শিম চাষে উৎসাহিত হচ্ছেন।

সরেজমিনে জেলার বিভিন্ন ফসলের মাঠ ঘুরে দেখা যায়, ফুলে ফুলে ভরে গেছে শিমগাছ। কৃষক শিমক্ষেত পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। কৃষকরা বলছেন, কীটনাশকের দাম অনেকটা বেশি। কিন্তু পাইকারি বাজারে প্রতি কেজি শিম ১৬০-১৮০ টাকায় বিক্রি হওয়ায় বেশ লাভ হবে।

নওগাঁ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে জানা যায়, ২০২১ সালে জেলায় ৪০ হেক্টর জমিতে আগাম (বারি শিম-২) শিম চাষ করা হয়েছিল। এ বছর জেলায় ৬০ হেক্টর জমিতে লক্ষ্যমাত্রা ধরা হলেও ১০০ হেক্টর জমিতে শিম চাষ করা হয়েছে। তবে আগাম জাতের ফসল হওয়ার কারণে পোকামাকড়ের উপদ্রব একটু বেশি। তাই সময়মতো কীটনাশক ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

নওগাঁ সদর উপজেলার কীর্তিপুর গ্রামের আব্দুল মজিদ মিয়া প্রতিদিনের পোস্টকে  বলেন, এ সময় শিমের ফলন কম হলেও বাজারে দাম অনেক বেশি। যার কারণে আমাদের লাভ অনেক বেশি হয়। আমি গত বছর ১০ কাঠা জমিতে শিম চাষ করছিলাম। শীতের আগে ওঠার কারণে দাম বেশি পেয়েছি। তাই এবার ২ বিঘা জমিতে শিমের আবাদ করেছি। গাছে ফুল ও ফল আসতে শুরু করেছে। আগামী ৭-১০ দিনের মধ্যে বাজারে বিক্রি করতে পারব। আশা করছি এবারও লাভবান হবো।

মান্দা উপজেলার মৈনম গ্রামের কৃষক মোশাররফ প্রতিদিনের পোস্টকে বলেন, আমি সারা বছর সবজি চাষ করি। আগাম জাতের সবজি থেকে লাভ ভালো হয়। কিন্তু পোকার উপদ্রব অনেক বেশি থাকে। কীটনাশকও বেশি ব্যবহার করতে হয়। তাই খরচ একটু বেশি হয়ে থাকে। কিন্তু বাজারে দাম বেশি হওয়ার কারণে লাভ হবে বলে আশা করছি।

মৈনম গ্রামের অন্যান্য কৃষক বলেন, আগে কীটনাশকের দাম কম ছিল। আবার পরিমাণেও বেশি ছিল। এখন দাম বেশি, পরিমাণও অনেক কমে গেছে। কীটনাশক ব্যবহারে খরচ আগের থেকে অনেক বেড়ে গেছে। যে কারণে সব কিছু হিসেব করলে লাভ তেমন একটা হবে না।

নওগাঁ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক মো. খিজির হোসেন প্রতিদিনের পোস্টকে বলেন, শীতকালীন সবজির লক্ষ্যমাত্রা ৮ হাজার হেক্টর নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে এটি বেড়ে ৮ হাজার ৪০০ হেক্টরে পৌঁছেছে। এর মধ্যে শিম ৪৫০ হেক্টর জমিতে আবাদ হয়েছে। শীতকালীন ৩৫০ হেক্টর এবং আগাম শিম ১০০ হেক্টর জমিতে আবাদ হয়েছে। আগাম শিম চাষ লাভজনক হওয়ার কারণে গত বছরের তুলনায় এ বছর ৬০ হেক্টর জমিতে বেশি আবাদ হয়েছে।

এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ন বেআইনী এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ। হিমেল/প্রতিদিনের পোস্ট


এ জাতীয় আরো সংবাদ

Warning: Undefined variable $themeswala in /home/khandakarit/pratidinerpost.com/wp-content/themes/newsdemoten/single.php on line 229

Warning: Trying to access array offset on value of type null in /home/khandakarit/pratidinerpost.com/wp-content/themes/newsdemoten/single.php on line 229