বুধবার, ১৭ অগাস্ট ২০২২, ১১:৩৯ অপরাহ্ন

নরসিংদীতে হত্যা ও ডাকাতি মামলায় ২১ আসামী গ্রেপ্তার, অস্ত্র ও আলামত উদ্ধার

সুজন বর্মণ, প্রতিদিনের পোস্ট / ২১ বার
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২১ অক্টোবর, ২০২১
নরসিংদীতে_হত্যা_ও_ডাকাতি_মামলায়_২১_আসামী_গ্রেপ্তার_অস্ত্র_ও_আলামত_উদ্ধার

সুজন বর্মণ, প্রতিদিনের পোস্ট: নরসিংদীতে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া দুইটি ক্লু-লেস হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। দুইটি হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত ৬ আসামীকে গ্রেপ্তারসহ হত্যায় ব্যবহৃত অস্ত্র ও আলামত উদ্ধার করেছে পুলিশ। এছাড়াও জেলায় গত ১৪দিনে সংগঠিত ডাকাতি ও ডাকাতির প্রস্তুতিকালে আরো ১৫ ডাকাতকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা পুলিশ ও গোয়েন্দা পুলিশের দল। বৃহস্পতিবার দুপুরে নরসিংদী জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান নরসিংদী অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) ইনামুল হক সাগর।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, চলতি মাসের ৭ অক্টোবর বৃহস্পতিবার রায়পুরা উপজেলার অলিপুরা এলাকায় অজ্ঞাত মরদেহ উদ্ধার করে থানা পুলিশ। পরবর্তীতে সন্ধান পেয়ে হত্যাকান্ডের শিকার রফিক মিয়ার পুত্রের করা মামলার প্রেক্ষিতে ইজিবাইক ছিনতাই করে হত্যা এবং লাশগুমের অভিযোগে ইকবাল মিয়া (২০) এবং মো: বাবু মিয়া (২৪) কে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশ। এছাড়া ১১ অক্টোবর সোমবার শিবপুর উপজেলার ঘাগটিয়া এলাকা থেকে রিয়াদ মিয়া (২৬) নামে আরেকটি মরদেহ উদ্ধার করে শিবপুর থানা পুলিশ। রিয়াদের ভাইয়ের করা মামলার প্রেক্ষিতে অভিযান চালিয়ে হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে পলাশ উপজেলার নিপা আক্তার (১৯), নরসিংদী সদর উপজেলার দত্তপাড়া এলাকার দীপু মিয়া (২০), মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গলের মিজান আহমেদ (২০) এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জের মো: আমিন (২০) কে গ্রেপ্তার করা হয়। এসময় আমিনের জিম্মায় থাকা হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত চাকু উদ্ধার করে পুলিশ। দুটি হত্যাকান্ডের সাথেই জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে বলেও জানায় পুলিশ।

সংবাদ সম্মেলনে আরো জানানো হয়, গত ১৪ দিনে নরসিংদী সদর, শিবপুর এবং রায়পুরা উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ডাকাতির প্রস্তুতি এবং ডাকাতি করে মালামাল নিয়ে পালানোর সময় ১৫ ডাকাতকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ। এসময় তাদের কাছ থেকে ডাকাতিতে ব্যবহৃত দেশীয় অস্ত্র ও পিকআপ উদ্ধার করে পুলিশ।

নরসিংদীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) ইনামুল হক সাগর বলেন, নরসিংদী জেলা পুলিশের সম্বনিত প্রচেষ্ঠায় ফলে অতি অল্প সময়ে ক্লুলেস হত্যাকান্ডের মূল রহস্য উদঘাটন ও আসামী গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছি। এছাড়া পুলিশ সুপারের নিয়মিত তদারকির কারণে আমরা ডাকাতি ও দস্যুতা মামলার আসামিদের গ্রেপ্তাওে সক্ষম হয়েছি। জেলার আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে আমাদের এ ধরনের অভিযান অব্যহত থাকবে।

এই ওয়েবসাইটের লেখা আলোকচিত্র, অডিও ও ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ।


এ জাতীয় আরো সংবাদ