শিরোনাম :
রবিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৩:০৪ পূর্বাহ্ন

ভারতের আসামে বহিরাগত ইমাম-শিক্ষকদের নিবন্ধিত হতে হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক, প্রতিদিনের পোস্ট / ৪৫ বার
আপডেট : মঙ্গলবার, ২৩ আগস্ট, ২০২২

নিজস্ব প্রতিবেদক, প্রতিদিনের পোস্ট || ভারতের আসামে বহিরাগত ইমাম-শিক্ষকদের নিবন্ধিত হতে হবে।

জ,ঙ্গি ও স,ন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে এমন দুজন ধর্মীয় ব্যক্তিকে গ্রে,প্তারের দুই দিন পর সোমবারে আসাম রাজ্যে মাদ্রাসা ও মসজিদে বহিরাগত শিক্ষক ও ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সরকারিভাবে নিবন্ধিত হতে হবে, নতুন এই নীতিমালা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী হিমান্ত বিশ্ব শর্মা।

তিনি বলেন, ‘গ্রে,প্তারদের মধ্যে জ,ঙ্গিগোষ্ঠীর হোতা আসামের একটি মসজিদে ইমাম হিসেবে নিযুক্ত ছিলেন। জ,ঙ্গি তৎপরতা আশপাশের অনেক গ্রামে ছড়িয়ে দিয়েছেন তিনি। জি,হাদি কর্মকাণ্ড ও নেটওয়ার্কের বিস্তার ঘটাতে এমন ৬ ব্যক্তি বাংলাদেশ থেকে আসামে প্রবেশ করেন। রাজ্যের পুলিশ তাদের একজনকে গ্রে,প্তার করেছে। অন্য পাঁচজন পলাতক রয়েছেন। তাদের গ্রে,প্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা এখন কিছু মানসম্পন্ন নীতিমালা (স্ট্যাডার্ট অপারেটিং প্রোসেডিউর-এসওপি) মেনে চলব। আসামের কোন গ্রামের মসজিদে কোন বহিরাগত যদি ইমাম হতে চান, তবে এলাকাবাসীকে তার দেয়া তথ্য যাচাই-বাছাই করতে সংশ্লিষ্ট থানাকে অবহিত করতে হবে। পুলিশি যাচাই-বাছাই শেষে তাকে ইমাম নিযুক্ত করা যাবে। ‘আসাম মুসলিম সোসাইটি’ কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে আমাদের সবধরনের সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে।’

এর আগে, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিমান্ত বিশ্ব শর্মা জানিয়েছেন, ভারতের এই রাজ্যে ব্যাপকভাবে বেড়ে যাওয়া জি,হাদিদের সঙ্গে বাংলাদেশভিত্তিক সন্ত্রাসী গোষ্ঠী আনসারুল ইসলামের যোগসাজশ রয়েছে।

৪ আগস্ট গুয়াহাটিতে এক সংবাদ সম্মেলনে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আনসারুল ইসলামের ছয় বাংলাদেশি সদস্য সম্প্রতি আসামে এসে এখানকার যুবকদের প্ররোচিত ও পথভ্রষ্ট করতে শুরু করেন। তাদের একজনকে গ্রে,প্তার করা হয়। এই বছরের মার্চ মাসে বারপেটা অঞ্চলে মৌ,লবাদী জ,ঙ্গিদের একটি ধরন প্রথম কর্তৃপক্ষের নজরে আসে। এরপর গ্রে,প্তার করা হয় ওই ব্যক্তিকে।’

‘আসামের বাইরের ইমামদের মাধ্যমে এখানকার বেসরকারি মাদ্রাসায় মুসলিম যুবকদের প্ররোচিত করা খুবই উদ্বেগজনক,’ তিনি যোগ করেন।

‘স,ন্ত্রাসী বা বিচ্ছিন্নতাবাদী কার্যকলাপ থেকে খুব ভিন্ন এমন সব জি,হাদি কার্যকলাপ। এটি বেশ কয়েক বছর ধরে ব্যাপকভাবে শুরু হয়। দীক্ষা নিয়ে প্রথম দিকে ইসলামি মৌ,লবাদের প্রচারে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন তারা এবং পরে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন,’ যোগ করেন মুখ্যমন্ত্রী।

এসব বাংলাদেশি নাগরিকরা যারা ২০১৬-১৭ সালে অবৈধভাবে রাজ্যে প্রবেশ করেছিল, তারা কোভিড-১৯ মহামারি চলাকালে বেশ কয়েকটি ক্যাম্পও পরিচালনা করে।’

‘এখন পর্যন্ত এই বাংলাদেশিদের মধ্যে মাত্র একজনকে গ্রে,প্তার করা হয়েছে এবং আমি জনগণের কাছে আবেদন করছি, যে রাজ্যের বাইরের কেউ যদি মাদ্রাসায় শিক্ষক বা ইমাম হন তাহলে তা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের অবহিত করবেন।’

এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা,ছবি,ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ন বেআইনী এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
মাহমুদ/প্রতিদিনের পোস্ট।


এ জাতীয় আরো সংবাদ

Warning: Undefined variable $themeswala in /home/khandakarit/pratidinerpost.com/wp-content/themes/newsdemoten/single.php on line 229

Warning: Trying to access array offset on value of type null in /home/khandakarit/pratidinerpost.com/wp-content/themes/newsdemoten/single.php on line 229