শিরোনাম :
সোমবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১২:২১ অপরাহ্ন

মেয়ে হ,ত্যার বিচার চেয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছেন বাবা-মা

নিজস্ব প্রতিবেদক, প্রতিদিনের পোস্ট / ৫২ বার
আপডেট : বুধবার, ২৪ আগস্ট, ২০২২

নিজস্ব প্রতিবেদক, প্রতিদিনের পোস্ট || মেয়ে হ,ত্যার বিচার চেয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছেন বাবা-মা।

মেয়ে হ,ত্যার বিচার ও পরিবারের নিরাপত্তার দাবি জানিয়ে বুধবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে সংবাদ সম্মেলন করেছেন নি,হত রূপার বাবা মো. ছানোয়ার হোসেন। ছানোয়ার হোসেন বাসাইল উপজেলার কাউলজানী মধ্যপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।

টাঙ্গাইল প্রেস ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ছানোয়ার হোসেন জানান, তার মেয়ের সঙ্গে ৮ বছর আগে কালিহাতী উপজেলার তেজপুর গ্রামের মোজাম্মেল তালুকদারের ছেলে মিঠুন তালুকদারের বিয়ে হয়। বিয়ের পর মিঠুনকে বিদেশ যাওয়ার জন্য ২ লাখ টাকা দেওয়া হয়। মিঠুন বিদেশ থেকে এক বছর পর বাড়ি ফিরে আসেন। এরপর মিঠুন এক পর্যায়ে মাদ,কাসক্ত হয়ে পড়ে। যৌ,তুকের দাবিতে মিঠুন রূপাকে মাঝে-মধ্যে মা,রধর করতেন। বিষয়টি কাউকে বললে রূপার মুখে এ,সিড দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়ার হু,মকিও দিতো। এক পর্যায়ে রূপাকে তালাক দিয়ে বাড়ি নিয়ে আসা হয়।

ছানোয়ার হোসেন জানান, তালাকের প্রায় ছয় মাস পর ফুসলিয়ে আবারও রূপাকে বিয়ে করে মিঠুন। দেড় মাস সংসার করার পর রূপাকে যৌতুকের দাবিতে পূনরায় মা,রধর শুরু করে। এক পর্যায়ে গত ১৭ মার্চ মিঠুনসহ তার পরিবারের লোকজন রূপাকে মা,রধর করে। তারা রাতের কোনো এক সময় রূপাকে শ্বাসরোধে হ,ত্যা করে লা,শ ঝুলিয়ে রেখে আত্ম,হ,ত্যার প্রচার চালায়। পর দিন খবর পেয়ে তারা (রূপার বাবা-মা) রূপার স্বামীর বাড়ি গিয়ে রূপার বাম হাতের কব্জির র,গ কা,টা দেখতে পান। এ ঘটনায় কালিহাতী থানায় মা,মলা করতে গেলে পুলিশ মামলা নেয়নি। ময়না তদন্তের প্রতিবেদনের অপেক্ষা করতে বলেন। পরে আদালতে মিঠুনকে প্রধান আ,সামি করে মা,মলা করলে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়।

ছানোয়ার হোসেন বলেন, ‘ময়না,তদন্তের রিপোর্টের বিষয়ে জানতে কালিহাতী থানার এসআই আল আমিনের কাছে গেলে তিনি ২ লাখ টাকা দাবি করেন। টাকা না দেওয়ায় পাঁচ মাস পার হলে আজও পর্যন্ত রিপোর্ট পাইনি। এ অবস্থায় মা,মলা তুলে নিতে আমাদের বিভিন্নভাবে হুম,কি ধামকি দিচ্ছেন মিঠুনের পরিবার। বর্তমানে আমরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। আমার মেয়ে হ,ত্যার সুষ্ঠু তদন্ত করে আ,সামিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।’

দুই লাখ টাকা দাবি করার বিষয়ে কালিহাতী থানার অভিযুক্ত এসআই আল আমিন বলেন, ‘তাদের কাছে কোনো প্রকার টাকা চাওয়া হয়নি। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট তাদের দেওয়া হয়েছে।’
টাঙ্গাইলের পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) এসআই ফরিদ মিয়া বলেন, তদন্তের দায়িত্ব পাওয়ার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলমান রয়েছে।

এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা,ছবি,ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ন বেআইনী এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
মাহমুদ/প্রতিদিনের পোস্ট।

 


এ জাতীয় আরো সংবাদ

Warning: Undefined variable $themeswala in /home/khandakarit/pratidinerpost.com/wp-content/themes/newsdemoten/single.php on line 229

Warning: Trying to access array offset on value of type null in /home/khandakarit/pratidinerpost.com/wp-content/themes/newsdemoten/single.php on line 229