শিরোনাম :
অনেক কল্পনা জল্পনার পর টি-টোয়েন্টিতে ক্যারিয়ার সেরা ইনিংস খেললেন মিরাজ শেষ হল সেই টি-টেন লীগের চূড়ান্ত নিলাম আকাশ ছোয়া মূল্যে দল পেলেন বাংলাদেশের পাঁচ ক্রিকেটার অগ্নিঝরা তাণ্ডব দেখিয়ে নিজেদের প্রমান করার পরীক্ষার সিরিজে প্রত্যাশিত জয় টাইগারদের, দেখুন ম্যাচ বিস্তারিত বোলিং ঝড়ের তাণ্ডবে ১৫ ওভার শেষে দেখে নিন সর্বশেষ স্কোর এই দলের সঙ্গেই এমন অবস্থা টাইগারদের! ফের শেষ বলে ছক্কা সোহানের, দুর্দান্ত লড়াকু ভাবে খেলে আরব আমিরাতের সামনে পাহাড় সমান রানের লক্ষ্য দিল টাইগাররা অবাক কাণ্ডঃ এই কেমন আউট দিলেন আম্পায়ার উড়তে থাকা মিরাজকে, দেখুন সর্বশেষ স্কোর আজ নিজেকে অনেক সুখী মনে হচ্ছে: আসিফ আবারও শুরুতেই হার বাংলাদেশের, দেখেনিন ফলাফল এইমাত্র শেষ হল বাংলাদেশ-আরব আমিরাত ম্যাচের টস, জেনে নিন ফলাফল
বুধবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৩:৪১ পূর্বাহ্ন

“সুন্দর ছবির আড়ালে আছে কঠিন সময়ের গল্প”

রিপু / ৩২ বার
আপডেট : সোমবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২২

নিজস্ব প্রতিবেদক, প্রতিদিনের পোস্ট ||

‘ব্র্যাক’-এর আর্লি চাইল্ডহুড ডেভেলপমেন্ট বিভাগের প্রধান হিসেবে দীর্ঘদিন ধরেই কাজ করছেন নন্দিত মডেল ও অভিনেত্রী মিথিলা। পড়াশোনা, সংসার, সন্তান, ক্যারিয়ার- সব এক সঙ্গে চালিয়ে নিচ্ছেন তিনি। বিজ্ঞাপন দিয়ে মিডিয়া জগতে যাত্রা শুরু করে পরে অভিনয়ে আসেন মিথিলা। বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন তিনি…

পেশাগত কারণে আপনাকে বিভিন্ন দেশে যেতে হয়। এত সময় বের করেন কীভাবে?
গত দুই সপ্তাহ আমি উগান্ডায় বিভিন্ন রকম ট্রেনিং, ওয়ার্কশপ, ফিল্ড ভিজিট শেষ করে উগান্ডা থেকে ওয়েস্ট আফ্রিকার সিয়েরালিওনে আসি। এখানকার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে একটা আর্লি চাইল্ডহুড ডেভেলপমেন্টবিষয়ক কর্মশালার আয়োজন করি। কর্মশালা গত শুক্রবার শেষ হয় এবং শুক্রবার রাতেই আমার সিয়েরালিওন থেকে কলকাতায় যাওয়ার ফ্লাইট ছিল। মেয়ে আয়রাকে যেহেতু বাড়িতে রেখে এসেছি, তাই কাজের বাইরে আমার একদিনও থাকতে ইচ্ছা করে না।
দেশ ভ্রমণের অভিজ্ঞতা শেয়ার করবেন…

শুক্রবার বিকালবেলা থেকেই প্রচণ্ড ঝড়বৃষ্টি। সিয়েরালিওনের রাজধানী, ফ্রি টাউন, আটলান্টিক মহাসাগরের তীরে। এবং সিয়েরালিওনের এয়ারপোর্টটা ফ্রি টাউন থেকে দূরে একটা বিচ্ছিন্ন জায়গায় অবস্থিত, যার নাম ‘লুংগি’। ফ্রি টাউন থেকে ১ ঘণ্টা একটা ছোট ফেরিতে আটলান্টিক পার হয়ে লুংগি এয়ারপোর্টে যেতে হয়। ঝড়বৃষ্টির কারণে একটু বেশিই চিন্তিত ছিলাম কারণ সমুদ্র যেমন ভালো লাগে, তেমনি উত্তাল সমুদ্রও ভয় লাগে। আমার ফেরি, যেটাকে ‘সি-কোচ’ বলা হয়, সেটার টাইম ছিল রাত ২টায়। শেষ পর্যন্ত ভয়ে ভয়ে রাত ১টায় ‘সি-কোচ’ টার্মিনালে গেলাম। ফেরি থেকে নেমে টার্মিনাল অব্দি বৃষ্টির মধ্যে দৌড়ে যেতে যেতেই কাকভেজা হয়ে যাই। তারপর একটা বাসে চড়ে লুংগি এয়ারপোর্টে পৌঁছতে বাজল ভোর ৪টা। আমার ফ্লাইট ছিল ‘এয়ার মারোক’ যেটা লাইবেরিয়ার রাজধানী ‘মনরোভিয়া’ হয়ে কাসাবলংকা যাবে। ৭ ঘণ্টার মতো জার্নি করে বেলা ২টায় কাসাবলংকায় পৌঁছি। পরে টার্কিশ এয়ারলাইনসে চড়ে অনেক ঝক্কিঝামেলা পেরিয়ে ঢাকায় আসি।

ভ্রমণে তো অনেক কষ্ট। তারপরও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপনার সুন্দর সুন্দর ছবি দেখে মনে হয় না এত কষ্ট করছেন আপনি। রহস্য কী?

যারা শুধু সুন্দর ছবিগুলো দেখে, তার পেছনের কঠিন সময়ের গল্পগুলো জানে না। এই যে গত তিন সপ্তাহ ধরে মেয়েকে বাড়িতে রেখে হাজার হাজার মাইল বিভিন্ন দেশে, শহর থেকে গ্রামাঞ্চলে, জার্নি করে বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর সাথে কাজ করা, সেটা নিতান্তই জীবিকার তাগিদে; আমোদফুর্তির জন্য নয়। সব সময় সুন্দর ছবি আর ভালো কথাগুলো শেয়ার করি কারণ আমি যা কিছু ভালো, আর পজিটিভ সেটাই ভাগ করে নিতে চাই। একজন আন্তর্জাতিক উন্নয়ন কর্মী হিসেবে আমার কাজ এবং বিভিন্ন দেশে ব্র্যাকের কন্ট্রিবিউশন নিয়ে আমি ভীষণ গর্ববোধ করি। তাই পেছনের কঠিন সময়গুলোকেও অভিজ্ঞতা হিসেবেই দেখি।

ভালোবাসার সম্পর্ক নিয়ে বলুন।

সম্পর্ক সুন্দর রাখতে যেটা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন তা হলো বন্ধুত্ব। সেই সময় ভালোবাসা আর থাকে না তা আমি বলব না, কিন্তু তা একটা অন্য লেভেলে চলে যায়। এই লেভেল পরিবর্তনের কারণে ভালোবাসাটা আপনি আর শুরুতে যেমন অনুভব করতেন, তেমন অনুভব করতে পারবেন না। তাকে দেখলেই শিহরণ জাগবে না। তবে একটা ভালো লাগা তো কাজ করেই, যার অনুভূতিটা হয়তো একটু ভিন্ন রকমের হয়। একটা সম্পর্কের শুরুতে পরস্পরের প্রতি প্রেম আর আকর্ষণ থাকে। দীর্ঘ সময়ের সম্পর্কে সেই আকর্ষণটা আর থাকে না।

নারীর ক্ষমতায়ন ও স্বাধীনতা নিয়েও তো আপনি কাজ করেন। এ নিয়ে বলুন।

মেয়েদের বিয়ের পর শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে উঠতে হবে। এমন পরিস্থিতিতে ছেলে এবং মেয়ে দুজনের ভেতরেই এমন চিন্তা থাকা জরুরি যে একে অপরের পরিবারকে ভালোবাসবে এবং সম্মান করবে। দুজনের ভেতরেই এই চিন্তা না এলে তো আর হবে না। সবাই চিন্তা করে যে মেয়েটা যেহেতু ছেলের বাড়িতে গিয়ে উঠবে সেজন্য সেটাকে নিজের বাড়ি বলেই মনে করবে। ছেলের বাবা-মাকে মেয়েটা খুবই সম্মান করবে কিন্তু ছেলেটার বেলায় মেয়ের বাবা-মাকে সেই সম্মান না করলেও চলবে। এখান থেকেই বৈষম্যের শুরু হচ্ছে।

আপনি তো ভালো গানও করতে পারেন…

আমার গানের প্রতি আকর্ষণ রয়েছে। গানটা আমি ঠিকমতো করতে পারিনি। যার কারণে আমার একক কোনো অ্যালবাম নেই। আমার যখন বিয়ে হয় তখন বয়স ২৩ বছর। বিয়ের পর অনার্স শেষ করে মাস্টার্স করেছি। চাকরিও করেছি। এগুলোর সঙ্গে সঙ্গে মিডিয়াতে কাজ করার জন্যও সময় বের করেছি।

এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ   রিপু /প্রতিদিনের পোস্ট


এ জাতীয় আরো সংবাদ

Warning: Undefined variable $themeswala in /home/khandakarit/pratidinerpost.com/wp-content/themes/newsdemoten/single.php on line 229

Warning: Trying to access array offset on value of type null in /home/khandakarit/pratidinerpost.com/wp-content/themes/newsdemoten/single.php on line 229