শিরোনাম :
অনেক কল্পনা জল্পনার পর টি-টোয়েন্টিতে ক্যারিয়ার সেরা ইনিংস খেললেন মিরাজ শেষ হল সেই টি-টেন লীগের চূড়ান্ত নিলাম আকাশ ছোয়া মূল্যে দল পেলেন বাংলাদেশের পাঁচ ক্রিকেটার অগ্নিঝরা তাণ্ডব দেখিয়ে নিজেদের প্রমান করার পরীক্ষার সিরিজে প্রত্যাশিত জয় টাইগারদের, দেখুন ম্যাচ বিস্তারিত বোলিং ঝড়ের তাণ্ডবে ১৫ ওভার শেষে দেখে নিন সর্বশেষ স্কোর এই দলের সঙ্গেই এমন অবস্থা টাইগারদের! ফের শেষ বলে ছক্কা সোহানের, দুর্দান্ত লড়াকু ভাবে খেলে আরব আমিরাতের সামনে পাহাড় সমান রানের লক্ষ্য দিল টাইগাররা অবাক কাণ্ডঃ এই কেমন আউট দিলেন আম্পায়ার উড়তে থাকা মিরাজকে, দেখুন সর্বশেষ স্কোর আজ নিজেকে অনেক সুখী মনে হচ্ছে: আসিফ আবারও শুরুতেই হার বাংলাদেশের, দেখেনিন ফলাফল এইমাত্র শেষ হল বাংলাদেশ-আরব আমিরাত ম্যাচের টস, জেনে নিন ফলাফল
বুধবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৭:০৭ পূর্বাহ্ন

“হাত সরিয়েছে চীন বাড়িয়েছে জাপান”

রিপু / ৩৩ বার
আপডেট : সোমবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২২

নিজস্ব প্রতিবেদক, প্রতিদিনের পোস্ট ||

গাজীপুরের জয়দেবপুর থেকে পাবনার ঈশ্বরদী পর্যন্ত ডাবল লাইন রেলপথ নির্মাণ করতে চায় সরকার। চীনের সঙ্গে জিটুজি পদ্ধতিতে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের কথা। কিন্তু বাংলাদেশের পক্ষ থেকে প্রকল্পের ব্যয় কমাতে বলায় পিছু হটে চীন।

এরপর সরকারের অনুরোধে আগ্রহ দেখায় জাপান। দুই ধাপে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করতে চায় জাইকা। এ জন্য আজ সোমবার রেলপথ মন্ত্রণালয়ে জাইকার উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। জাইকার মিশন টিম লিডার হিরোশি ইয়োশিদার নেতৃত্বে সকাল ১০টায় রেলভবনে বৈঠকটি শুরু হতে পারে।

জানা গেছে, জয়দেবপুর থেকে বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্ব এবং বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম থেকে ঈশ্বরদী পর্যন্ত দুই অংশে রেলপথটি ডাবল লাইন করার প্রি-স্টাডি করছে জাইকা। বর্তমানে জাইকার অর্থায়নে যমুনা নদীতে পৃথক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রেলসেতু নির্মাণাধীন। জয়দেবপুর থেকে বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্বাংশ পর্যন্ত ৮২ কিলোমিটার এবং বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম পাড় থেকে পাকশী ও ঈশ্বরদী পর্যন্ত ৮০ কিলোমিটারের জন্য পৃথক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সে হিসাবে মোট ১৬২ কিলোমিটার রেলপথটি ডাবল লাইন করবে রেলওয়ে।

এর আগে ২০১৮ সালের ৪ নভেম্বর প্রকল্পটি অনুমোদন পায়। বাস্তবায়নকাল ২০২৪ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত। যদিও চীনের পরিবর্তে নতুন করে কার্যক্রম শুরু হওয়ায় ব্যয় ও সময় আরও বাড়তে পারে। আবার এটাও ঠিক যে, জাপানের মাধ্যমে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করলে রেলপথটির মান বাড়বে। তা ছাড়া চীন অর্থায়ন করলে সাধারণত অর্থ ছাড়ে বিলম্ব হয়। নানা অজুহাতে খরচও বাড়তে থাকে। কালক্ষেপণের দৃষ্টান্তও আছে। তা ছাড়া অতিরিক্ত সুদ, গ্রেস পিরিয়ড- এসব বিবেচনায় নিলে জাইকার ব্যাপারেই ইতিবাচক মনোভাব রেলসংশ্লিষ্টদের।

উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের রেল যোগাযোগের ক্ষেত্রে জয়দেবপুর-ঈশ্বরদী লাইনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমানে সিঙ্গেল লাইন থাকায় এই রুটে বেশি ট্রেন পরিচালনা করা যাচ্ছে না। সিঙ্গেল লাইনের জয়দেবপুর-ঈশ্বরদী রুটের ট্রেনগুলোকে দীর্ঘসময় সিগন্যালে আটকে থাকতে হয়। তাই এটিকে ডাবল লাইন করার উদ্যোগ নেয় রেলপথ মন্ত্রণালয়। ২০১৬ সালে বাংলাদেশ সফরে আসেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জি পিং। তখন জয়দেবপুর-ঈশ্বরদী ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন প্রকল্পে অর্থায়নের ব্যাপারে চীনের সঙ্গে সমঝোতা হয়। পরে চীনের সঙ্গে জিটুজি (সরকারের সঙ্গে সরকারের) পদ্ধতিতে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য অনুমোদন পায়। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, চীনের ঋণে প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য চীনা ঠিকাদার নিয়োগ দেয় বাংলাদেশ। একনেক অনুমোদিত এ প্রকল্পটি বাস্তবায়নের কথা চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন করপোরেশনের (সিসিইসিসি) মাধ্যমে।

সূত্র জানায়, জয়দেবপুর-ঈশ্বরদী, আখাউড়া-সিলেট এবং জয়দেবপুর-ময়মনসিংহ, এই তিনটি প্রকল্প বাস্তবায়নের কথা চীনের মাধ্যমে। কিন্তু কাজ শুরুর আগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে করা তদন্তে এই দুই প্রকল্পে বাড়তি ব্যয়ের বিষয়টি সামনে আসে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব প্রকল্প থেকে ব্যয় কমানোর নির্দেশ দেন। এরপরই চীনা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান অর্থায়ন থেকে সরে দাঁড়ায়। এদিকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশনা পাওয়ার পর ওই দুই প্রকল্পের জন্য অর্থ সহায়তা পেতে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগকে অনুরোধ জানায় রেলপথ মন্ত্রণালয়। সরকার চীনের বিকল্প অর্থায়ন খোঁজা শুরু করলে জাপান সরকারের প্রতিষ্ঠান জাইকা অর্থায়নে আগ্রহ দেখায়।

জানা গেছে, জয়দেবপুর-ঈশ্বরদী প্রকল্পে প্রতিটি সরঞ্জামের মূল্য প্রতিবছর ২৫ শতাংশ হারে খরচ বাড়বে ধরে ব্যয় নির্ধারণ করা হয়। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা পেয়ে যৌক্তিকীকরণ কমিটি তা ১০ শতাংশ করার প্রস্তাব করে। আর এতে ১ হাজার ৮৫ কোটি টাকা প্রকল্প খরচ কমে যায়। রেল কর্তৃপক্ষ অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) মাধ্যমে চীন সরকারকে ব্যয় কমানোর বিষয়টি জানিয়ে গত বছরের ১৭ জানুয়ারি চিঠি দেয়। এরপর কয়েক দফা আলোচনা ও চিঠি চালাচালির পর গত বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ সরকারের এই প্রস্তাবে কাজ করতে পারবে না বলে জানিয়ে দেয় চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।

এ প্রসঙ্গে রেলপথমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন বলেন, চীন চূড়ান্তভাবে জানিয়ে দিয়েছে অর্থায়ন করবে না। এটি হয়েছে প্রকল্প থেকে ব্যয় কর্তনের নির্দেশনার পর।

এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ   রিপু /প্রতিদিনের পোস্ট


এ জাতীয় আরো সংবাদ

Warning: Undefined variable $themeswala in /home/khandakarit/pratidinerpost.com/wp-content/themes/newsdemoten/single.php on line 229

Warning: Trying to access array offset on value of type null in /home/khandakarit/pratidinerpost.com/wp-content/themes/newsdemoten/single.php on line 229